পড়ন্ত বিকেলের অস্তমিত সূর্যের অনুপম বর্ণচ্ছটাও একটা সময় বিলীন হয়ে যায়! আর সেই সাথে রেখে যায় আনন্দ অবিরত আর আলো ছায়ার স্মৃতিগুলো। ছোট ছোট ঘাসফুলগুলো? দিন শেষে এরাও চলে যায় চিরবিশ্রামে! থেমে যায় ছোট্ট পাখিটির কিচিরমিচির কলকাকলি! মিষ্টি সুরের ভুবনমাতানো গান! কিন্তু তাতে কী! পৃথিবী তার আপন ধারায় চলছে আর চলবে। বয়ে যাবে নিত্যনতুন জীবনস্রোত। ওই ছোট্ট পাখিটি অলক্ষ্যে হারিয়ে গেলেও সমস্যা নেই কোনোই। হাজারও পাখি এসে আবার মুখরিত করে নেবে প্রাঙ্গন। হেসে উঠবে গাছ, লতা। গেয়ে উঠবে শালিক। ছোট্ট ঘাসফুল আর সেই পাখিটা? হয়তো মহাকালের অতল গভীর গহ্বর থেকে, অনন্ত দিগন্তরেখা থেকে, অথবা অসীম রহস্যাবৃত মহাশূন্য থেকে ঠিক শুনতে পাবে সেই গান। কারণ এটা যে ছোট্ট সেই পাখিরই শিখিয়ে দেয়া গান ছিলো। যার তালে তালে নেচে উঠতো ঘাসফুলটি সেই! আজ তাদের অনুপস্থিতিতে দীপ্তিময় পড়ন্ত সেই সূর্যটাও হয়তো মুখ লুকাবে অব্যক্ত ব্যথায়। তারপর? তারপর কী হবে? জীবনকাব্যের শেষ পৃষ্ঠা অবধি আসার পরে ঠিক বলে দিবোক্ষণ! এর আগ পর্যন্ত কেবল শূন্যতাই থাক না! শুনশান, নিঃসীম, ছন্দহীন সেই শূন্যতা!