আবদুল গাফফার চৌধুরী এর লেখা ও আগামী প্রকাশনী প্রকাশনীর বই "শেখ কামাল আজ যদি বেঁচে থাকতেন... | Buy this book at 263 BDT from বইসদাই - boisodai.com | Bangladesh | বইপোকা
অমর একুশের গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী শিল্প-সাহিত্য, বঙ্গবন্ধু-বাংলাদেশ ও বিশ্ব-রাজনীতি নিয়ে ব্যাপকভাবে লেখালেখি করলেও জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামালকে নিয়ে তিনি খুব কমই লিখেছেন। শেখ কামাল একজন লড়াকু যুবক ছিলেন। মাত্র ছাব্বিশ বছর বয়সে তিনি ঘাতকের গুলিতে নিহত হন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের ৬৭৭ নম্বর বাড়িতে যে নির্মম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় শেখ কামাল ছিলেন সেই রাতের প্রথম শহীদ। তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করার মাধ্যমেই শুরু হয়। পঁচাত্তরের আগস্ট ট্র্যাজেডি। শেখ কামাল বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। তিনি ক্রীড়া-অনুরাগী, সংগীতপ্রিয়, রাজনীতিসচেতন ও দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ আর্মি থেকে ওয়ার টাইম কমিশন পেয়েছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল এ.জি. ওসমানীর এডিসি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের ক্রীড়াজগতে ‘আবাহনী’ একটি উজ্জ্বল নাম। আবাহনী’ শেখ কামালের হাতে গড়া একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। বঙ্গবন্ধুপুত্র শেখ কামাল। আজ বেঁচে থাকলে কী হতেন? এমন প্রশ্ন জনমতে ওঠতেই পারে। কেননা বিচিত্র প্রতিভার অধিকারী এই মহান মানুষটি অনেক কিছুই হতে পারতেন। মুজিব-পরিবারের ঘনিষ্ঠ সহচর আবদুল গাফফার চৌধুরী এ বিষয়ে একটি বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দিয়েছেন শেখ কামাল আজ যদি বেঁচে থাকতেন শিরোনামের নিবন্ধে। অসমসাহসী, বীর গেরিলাযোদ্ধা শেখ কামালের নামাঙ্কিত নিবন্ধের। প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শেখ কামাল আজ যদি বেঁচে থাকতেন গ্রন্থের নামকরণ করা হয়। শেখ কামালের প্রসঙ্গ ছাড়াও এই গ্রন্থে আরো আছে বঙ্গবন্ধু-স্বাধীনতা, শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ ও বিশ্ব-রাজনীতি, অর্থনীতি, দুর্নীতিসহ বেশ কিছু বিষয়। এই গ্রন্থের আরও একটি উল্লেখযোগ্য। বিষয় হলো চারটি মূল্যবান স্মৃতিচারণ। সব মিলিয়ে শুধু এটুকুই বলা যায়, এই গ্রন্থের প্রতিটি লেখাই পাঠককে ঋদ্ধ করবে।