হিজড়া—বিষয়ক যে কোনও ব্যাপার সমাজ অবজ্ঞার চোখে দেখে। হিজড়ারা সবখানে অবহেলিত হবার কারণেই বলা যায় অমন ডেসপারেট হয়ে ওঠে। হিজড়াদেরকে সবাই দূর দূর—ছেই ছেই করে তাড়িয়ে দেয়। কুকুর—বিড়ালের চেয়েও তাদেরকে নিকৃষ্ট ভাবা হয়। কিন্তু কেন এমন ভাবনা! সমাজ কি বোঝে না হিজড়া হয়ে জন্মানোর জন্য হিজড়ারা দায়ী নন। মানুষের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহই তাদেরকে অমন করে সৃষ্টি করেছেন। তারা আর দশজন প্রতিবন্ধীদের মতোই যৌন—প্রতিবন্ধী। সমাজের অন্য প্রতিবন্ধীদের খাতির—যত্ন করা হলেও এই বিশেষ প্রতিবন্ধীদের কেন মানুষ ভাবা হয় না? আমার ঘরে যদি একটা হিজড়াসন্তান জন্ম নেয়! এ কথা কি আমরা একবারও ভেবে দেখেছি? ‘শিখণ্ডী রুবাইদা’ এমনই এক সামাজিক প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে যেখানে এক শিক্ষিত পরিবারে জন্ম নেওয়া সুস্থ ও সাধারণ শিশু রুবায়েত সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রুবাইদা হয়ে ওঠার গল্প বর্ণনা করা হয়েছে। পাশাপাশি হিজড়াদেরকে সমাজের মূলধারায় ফেরানোর প্রয়াস ব্যক্ত করা হয়েছে।