শিশিরের কাব্য নিঝুম আঁধারে তরীখানি যখনি কূলেতে আসিয়া ভীড়ে, কোথা কোন পথ? দিগন্ত রজনী ছিন্ন নাহি করিবারে পারে। অকূলে দুইকূল, দুইকূল ছাপিয়া, ঝর্ণার বারি ঝড়ে, কোথা সে তরণী? বহিতে ব্যাথাখানি ফিরে আসে বারে বারে। শ্যামলের প্রান্তরে শিশির দোলে সবুজ ঘাসে ঘাসে, রবির কিরণে, বিন্দু বিন্দু শিশির কণা ঝড়িল তীব্র আবেশে। ছায়া ছায়া পথ, পথের দু’পাশে কাশফুলের স্বপ্ন দোলে, বসন্ত কবে নিয়েছে বিদায় মায়াবী প্রহরের কোলে। বিরল জোছনা রাতে, ছায়ার ফাঁকে দীপ্ত আলোটুকু খেলা করে, আশাহীন পথিক পায়ে পায়ে অবিরল সেখানে ঘুরে ফিরে। কাব্য শুধু স্বপ্ন আঁকে নীলিমার ভাঁজে, সাগরের ঢেউয়ে, শিশিরের কাব্য তলিয়ে যায় ভাষাহীন, নিরুদ্দেশ নায়ে।