"শোকের রঙ থাকতে নেই" বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা “আমরা অন্যের কথা নিজের মুখে বলি, নিজের ইচ্ছেমতো কথা বলার শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। সমাজের কেউ, ‘কী বলবে’ এই প্রশ্নকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে আমরা আমাদের সত্যকে আটকে দেই। অন্যের পছন্দের আদলে নিজেকে গড়ে তুলতে তুলতে নিজের স্বকীয়তায় পর্যন্ত ছেদ সৃষ্টি করি! তারপরও মানুষের একটা আশ্রয়স্থল প্রয়োজন, প্রয়োজন নিজস্বতা! আর এই নিজস্বতার জন্যই মানুষ তার কথা, তার ভেতরের ভেতরকথা নানাভাবে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে। প্রত্যেকটি আবেগেরও থাকে আলাদা ভাষা—আলাদা রঙ। শোকেরও আছে, কিন্তু প্রতিনিয়ত আমরা নতুন ধরনের শোকের মুখোমুখি হই! শোকগুলোকে এক অদৃশ্য চাদরে আবৃত করে আরেকটা শোকের মুখোমুখি হই। তাই কবির মতে শোকের জন্য কোনো রঙকে আলাদা করে ভাবতে নেই! অপ্রত্যাশিত সব শোক যখন থেমে যাবে তখনই আমরা শুরু করবো তার রঙ, সুর আর গান কী হবে তা নিয়ে মাতামাতি। শোক আমাদের কাছে তখন ধরা দেবে অতীতের গল্প হয়ে! আমাদের ভেতরের চাওয়াটা ভেতরেই জেগে থাকে! ‘শোকের রঙ থাকতে নেই’ হচ্ছে সেই ভেতরের কথা-ব্যথা জাগানিয়া কাব্য!”