আশরাফ পিন্টুর অণুগল্প পড়তে পড়তে এক ধাক্কায় অনেক কথা চলে এলো সামনে। জানলা খুললে হঠাৎ যেমন নানা জাতের বাতাস ঢুকে আসে। হেটেরোজিনিয়াস মিক্সচার টাইপ। সেগুলো ক্রমান্বয়ে সাজানোর চেষ্টা করতে গিয়ে আবারো সেইখানেই ফিরে এলাম। এমনটাই ধারণা সাহিত্য সমাজের প্রতিফলন। এ ভাবনা চলে সে কোন এরিস্টটলের সময় থেকে যেসব শিল্প নকল বৈ কিছু নয়। আর সে নকলটাও তার চেনা-জানা বোধের সীমার গ-ির মধ্যে থাকা জড় জগৎকে নিয়েই। জীব যে যুক্ত সে তো বলাই বাহুল্য। পাখির ডাক নদীর ছলাৎ উভয়েই তো বাসা বেঁধেছে শিল্পের বিভিন্ন ধারায়। সময়ের সঙ্গে শুধু বদলেছে সে শিল্পের আকার বা ফর্ম আর মাধ্যম। আকৃতি বদলালেও প্রকৃতিগত ভাবে মূলগত পরিবর্তন কি এসেছে? আমি ধরতে পারি নি। অবশ্যর সামান্যে পরিবর্তন ও তার প্রতিফলনে ভিন্নমাত্রা এনে দেয়; যেন বড় ভাস্কর্য আর মিনিয়েচরের কৌশল। চালের দানায় মহাভারত লেখার মতো।... সুহিনা বিশ্বাস মজুমদার কবি ও সাহিত্য সমালোচক কলকাতা।