সিন্দাবাদের ভূতের মতাে তার মাথায় শুধু একটা ভূত চাপলেই হলাে। ভাগ্য ভালাে যে আমার লেখা একটা বইয়ের ভূত ওর মাথায় চেপেছিল। তারই ফলাফল আজকের এই বই। স্কুল-কলেজ পাড়ি দেয়ার পর জীবিকার পেছনে। ছুটতে গিয়ে লেখালেখি বিষয়টার সঙ্গে একেবারে ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছিল। বহু লেখা হারিয়ে গেছে। কোথায় আছে তা টাইম মেশিন ছাড়া হয়তাে আর বের করা সম্ভব নয়। নিজের কপােট্রনের ওদিকটা ইতিমধ্যে অনেক। ক’বার ফরমেট হয়ে গেছে। বাড়ির পুরনাে আলমারিতে লেখার কপিগুলাে এতদিনে উইপােকার খাদ্যে পরিণত হয়ে গেছে, নাকি ভাবি সেগুলাে ফেরিওয়ালাকে দিয়ে দিয়েছেন তাও জানা নেই। হয়তাে কোনােদিন কোনাে ঝালমুড়ির ঠোঙা হিসেবে দু-একটা লেখা পেলেও পেয়ে যেতে পারি। সেটাই শেষ ভরসা।