ইচ্ছেগুলো কাগজের নৌকা বানিয়ে ভাসিয়ে দিয়েছি মাঝ নদীতে ভরা বর্ষায়। ইচ্ছে ঘুড়ি উড়িয়েছি আকাশের শেষ সীমানায়। দূরান্বয় চোখে দেখেছি অসীমতা। সময়ের সীমাবদ্ধতাকে করেছি অতিক্রম। স্বপ্নের শৈল্পিক সুন্দরে ছুঁয়েছি কবিতাকে। চোখ নয়, হৃদয় দিয়ে পড়েছি কাব্য, মহাকাব্য, মানুষের ব্যাকরণ। শূন্যতায় ভরা নিষ্ফল প্রতিশ্রুতি, অপ্রত্যাশিত বিরহ, মনের জমিনে তপ্ত দহন, ঘোলাটে পাংশু মেঘে হারানো সুখ ক্লান্তিময় দিন। সবকিছু পেছনে ফেলে কবিতার নান্দনিক ছন্দে ডুবে গেছি আমি। সমর্পিত হয়েছি কবিতায়। চেষ্টা করেছি যাপিত জীবনের আনন্দ-বেদনাকে কবিতায় রূপ দিতে। কণ্ঠে তুলেছি কবিতার সুর, তাল, লয়। মাঝে মাঝে আত্মভিমানে নিমগ্ন আমি উচ্চারণ করেছি প্রিয় কবিতার চরণ। কতটুকু সার্থক হয়েছি তা বিচার বিশ্লেষণের ভার পাঠক, শ্রোতার। কাব্যজগতে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে বুঝতে সচেষ্ট থেকেছি কবিতার কাব্যরস, সৌন্দর্যের গুণ আবেগের তীব্রতা, কবিতার বৈশিষ্ট্য। শব্দ প্রয়োগের ছান্দসিক, অনিবার্য ভাবার্থের বাক্যবিন্যাস, আবেগ, অনুভূতি, উপলব্ধি ও চিন্তার সংক্ষিপ্ত রূপ; উপমা, উৎপ্রেক্ষা, চিত্রকল্পের আন্দোলিত সৃষ্টির উদাহরণ। কবিতাই আমার ধ্যান, জ্ঞান, আরাধনা। আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ "নিমগ্ন প্রার্থনায় তুমি" পাঠকপ্রিয় হয়েছে। প্রায় প্রতিটি কবিতা সকল বিদগ্ধ পাঠক সাদরে গ্রহণ করেছেন। আশা রাখছি আমার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ “শূন্যতার প্রতিবিম্বে অতল জোছনা" পাঠক আন্তরিকতার সঙ্গেই গ্রহণ করবেন।