আর্য মেয়েটি কেবল আমার তুমি কার? এই পৃথিবীতে জন্ম নেয়া স্বাবলম্বী পুরুষের নাকি দিশেহারা নিগৃহীত এক যুবকের? আমি তো তোমার গুপ্ত ভাষায় এক অবচেতন যুবকের নাম শুনছি, আমি তো তোমার চোখের আলোয় সেই যুবকের আকাশ দেখেছি। তুমিও কি আমার মতো তার নীরব কান্না শুনতে পাও, তুমি কি পাখির সুরে তার আর্তনাদ বুঝতে পারো? চোরকাঁটা পথে তোমাকে রোজ খুঁজে বেড়ায় পায়ে কতিপয় সম্ভাবনা নিয়ে, ভাঙাচোরা ব্রিজ থেকে তোমার সন্ধানে নদীতে দৃষ্টি নিক্ষেপ করেছে সকাল সন্ধ্যা; জলে বন্দরে আশা নিরাশায় নিজের নাম ভুলে তোমার নামে দেয়ালচিত্র এঁকেছে। তুমি যেদিন ধানসিঁড়িটির তীরে যাবে; দেখবে জীবনানন্দের মতো তিমির হনন করে কবিতা লিখছে তুমি যেদিন শিলাইদহে পৌছাবে; দেখবে রবি ঠাকুরের মতো পাকা চুলে হাত রেখে শুয়ে আছে। বিচিত্র দৃশ্যের অভয়াশ্রমে তোমায় গিলছে প্রত্যেকদিন বিভিন্ন সৃষ্টির অনুযোগে তোমার জন্ম দিচ্ছে প্রতিদিন হয়তো সে জানো না— তুমি কার, শুধু বলতে শিখেছে পৃথিবীর কাছে— আর্য মেয়েটি কেবল আমার।