১৯১৪ সালের ২ আগস্ট। সন্ধেবেলা খবর এলো বেলজিয়াম আক্রমণ করেছে জার্মানরা। সেনাদল যতই এগোচ্ছিল, ততই নরককুণ্ড হয়ে উঠল জীবন। জার্মানরা তখন প্রত্যেক বেলজিয়ানকেই স্পাই সন্দেহ করে; কেবল নার্স মার্থা নোকার্ট বাদে। কিন্তু মার্থা কি দেশের জন্য কিছুই করবে না? স্পাই ...! ভাবতেই হাত-পা কেঁপে ওঠে মার্থার। যত নগণ্য সংবাদই হোক, জার্মান সেনাদলের গতিবিধির খবর জানাতে হবে। সিক্রেট কোড। চুলে গোঁজা কাগজ। খবরের শেষে এল অক্ষর সই। ব্রিটিশ ইন্টেলিজেন্স দপ্তরে মার্থা নোকার্ট হয়ে উঠল লুরা। ওদিকে অ্যারোপ্লেনটি স্টেশনের কিছু দূরে এসে ছিটকে পড়ে চুরমার হয়ে গেল। চার্চের মাঠে হাজার হাজার মৃত আর আহত সৈনিক। অ্যামুনিশন ডাম্পটা দাউ দাউ করে জ্বলছে। হারানো জিনিসের বিজ্ঞাপনে ছিল সোনার হাতঘড়িটা; তলায় খোদাই করা এমসি। মার্থা নোকার্ট! কীভাবে মারবে ওরা মার্থা নোকার্টকে