একেকজন কবির চেহারা সুরতহাল একেকরকম হলে হয় না শুধু, কবিতাতেও নিজেকে ভাঙতে হয়, একেকরকম করে ভাবতে হয় সচেতনে, এমনকি অন্তস্থ ছায়ায়; কোনো কবি নিজের কবিতাকে অন্যরকম করে ভাবার প্রচেষ্টা দেখালে আন্দোলিত হই। অনেকে নতুনত্বকে তুচ্ছার্থে পাগলামি ভাবতেও দ্বিধাবোধ করেন না। নতুন কিছু দেখলে সন্দেহের তির ছুড়ি; আদতে যেকোনো নতুন সৃষ্টিকেই মানুষ গ্রহণ করতে দ্বিধা করেছে। এমনসব কথা ভাবনায় এলো ঋজু রেজওয়ানের কবিতা পাঠে। এটা ঠিক, একেকজন কবির আত্মতৃপ্ততাই তাঁর কবিতা। কিন্তু, নিজের সৃষ্টিকে পাঠকের কাছে পরবর্তীদের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া আরেক ব্যাপার। শৈল্পিক ছিঁরিছাদে শব্দের দ্যোতনায় নিরীক্ষা প্রিয় ঋজু রেজওয়ানও ভাবছেন, ভবিষ্যৎ লিখছেন কবি নিজেই; ‘সুখ মানুষ = জামা > গিলোটিন’ কবিতার বইটিতে ঋজু রেজওয়ান নিজের কবিতার ভবিষ্যৎ লিখছেন; আমরা আবিষ্কার করব অদূর ভবিষ্যতে, আপাতত উপভোগ করি বইটির প্রচ্ছদে ব্লেডের গুণকীর্তন, কী কী কর্তন করে নতুন সৃজনে।