পর্বত এক বিপুল রহস্যের আধার। হটতে থাকা আদিম জগতের শেষ আশ্রয়। সুবিপুল কলেবরের হাতছানি, বাঁকে বাঁকে রোমাঞ্চ আর রহস্য, চ্যালেঞ্জ আর বিপদ দিয়ে বরণ করে অভিযাত্রীকে। এসবের বিনিময়ে যে বরমাল্য পাওয়া যায়, যে অভিজ্ঞতার আস্বাদন করা যায়, তা সব বিবেচনাতেই অমূল্য। এই টানে কত লোক পর্বতে গিয়েছে, কত অবিশ্বাস্য কাহিনীর জন্ম দিয়েছে তার লেখাজোখা নেই। কাউকে বা পর্বত ডেকে নিয়েছে, চিরকালের জন্য লুকিয়ে ফেলেছে তার তুষারাবৃত ঢালে। কেউ কেউ সে আহ্বান উপেক্ষা করে ফিরেও এসেছে। জো সিম্পসনের ‘টাচিং দ্য ভয়েড’ এমনই এক অভিযানের কাহিনী। পেরুভিয়ান আন্দিজের বুকে মঞ্চস্থ এক দুর্দান্ত নাটকের আলেখ্য এই বই; ভীষণ তুষার আর ঝড়, ভয়াল সব ফাটল আর দুর্ঘটনা, একাকিত্ব আর অনিশ্চয়তায় ভরপুর এক সাহসী লড়াইয়ের সত্যিকার বয়ান। বইটি তুমুল সংগ্রাম, বন্ধুত্ব, মানসিক টানাপোড়েন, হার না মানার মানসিকতা আর আত্মবিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি।