জনম হইতে একুশ বৎসর এ হস্তখানা কেবলই অপেক্ষার প্রহর গুনিয়াছিলো। বৎসরের পর বৎসর লিখিবে বলিয়া আক্ষেপে তাহা বিষে ভরিয়া উঠিলো। সে বিষ ক্ষণে ক্ষণে একপক্ষীয় যুদ্ধ চালাইয়া পীড়াদায়ক হইয়া উঠিলো। হস্ত বিষে নীল রূপ ধারণ করিলো। কষ্টে বিষজ্বালা সহিতে না পারিয়া সাহিত্য গুরু সাদা কাফনে নীল হস্তে কলম চালাইলো। অতঃপর বিভীষিকাময় রাত্রি পার করিয়া ভোরের সোনালী আলোয় তেজস্বীর আবির্ভাব ঘটিলো। মৃত পাহাড়ের চূড়ায় উঠিয়া আসমানে চাহিয়া সাহিত্য গুরু চিৎকার করিয়া কহিলো, ‘তেজস্বী অমর হোক।’