শহর হয়েছে মৃত্যুপুরী। আতংক ভয় জরাজীর্ণ করে দিচ্ছে জনজীবনকে। যেন মৃত্যুর দূত বয়ে আনছে প্রতিটি আঁধার। নিরীহ মানুষের মৃত্যুর বিনিময়ে কেউ কি পৈশাচিক উল্লাস করে বেড়াচ্ছে? নাকি অপ্রার্থিব কোনো রহস্য? নাকি কোনো প্রতিশোধের জ্বলন্ত শিখায় পুড়ে মরছে একদল পৃথিবীর কীট? পৃথিবীতে মৃত্যুর সংজ্ঞা যদি জীবনের শেষাংশ হয়, তবে এই পৃথিবীর আরেক প্রান্তে একদল ফিনিক্স পাখিরা জানান দেয়, মৃত্যু সর্বদা ধ্বংস ও সমাপ্তি ডেকে আনে না। অস্তিত্বের গল্প যে কালিতে লেখা হয়ে থাকে, তা হয় অদৃশ্য। প্রকৃতির সংঘাতে অমিমাংশিত কিছু নিয়তির সংঘর্ষে বিয়োগাত্মক রক্তাক্ত অতীত লেখা হয়। এ রক্ত কথা বলে, এ রক্ত অতীত জানে। এ রক্ত সমীকরণ লিখে। এ রক্তের প্রতিটি বিন্দু জেগে ওঠে শুদ্ধির আগুনে। প্রতিশোধের আগুন ও রক্তের সংমিশ্রণে সেই ফিনিক্সপাখিদের সৃষ্টি। ধ্বংসস্তূপেই জন্ম আর অবিনাশী মৃত্যু তারা, প্রলয়ের ধূলোতেই পুনরুজ্জীবন। যেন মৃত্যুকে হাতছানি দিয়ে বেঁচে ফেরার কাহিনি। তাদের অস্তিত্বের ভিতরেই আছে বিস্ফোরণের বীজ, তারা তেজস্ক্রিয় রক্তধ্বনি।