অফিসে তামান্নার যত সুনাম রয়েছে, অফিসের বাইরে রয়েছে তার চেয়ে বেশি বদনাম। মোটর সাইকেল দাপিয়ে বেড়ানো তামান্নাকে কেউ ভালো চোখে দেখে না। বাসা ভাড়ার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে। শেষপর্যন্ত ঠাঁই হয়েছে মহিলা মেসে। মাছ, তরকারিওয়ালারা পর্যন্ত টিটকারি করতে ছাড়ে না। সবাই উপরটা দেখে বিচার করে, ভেতরটা কেউ দেখে না। জীবনের প্রয়োজনে তাকে পথে নামতে হয়েছে সে খবর কেউ রাখে না। এই কাজটাই তাকে ডাল-ভাত খেয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে। যে পুরুষেরা তাকে খারাপ বলে তারাই আবার তার দিকে লালসার হাত বাড়ায়। বাড়ির মেয়ে-বউগুলো দুচোখে ওকে দেখতে পারে না। কখন যে কার স্বামীকে বশ করবে তামান্না এই ভয়ে সর্বদা ভীত থাকে। মুখের সামনে কটূক্তি করে। যেখানে সহানুভূতি দেখানোর প্রয়োজন, সেখানেই মেয়েরা মেয়েদের বড় শত্রæ হয়ে ওঠে কেন যেন! কিন্তু তামান্না এসবের মোটেও তোয়াক্কা করে না। সে জানে সেকি?