কুট্টুস রাজার শারীরিক আকৃতির ন্যায় দেশের আকৃতিও একদম ছোটো। সকালে বের হলে দুপুরের আগেই পায়ে হেঁটে পুরো দেশ ঘুরে আসা যায়। দেশের মানুষ সীমাহীন শান্তিপ্রিয়। ভদ্র ও নম্র্র। কোথাও কোনো অবিচার নেই। অশান্তি নেই। নেই কোনো ঝুটঝামেলাও। সবাই খেটেখুটে খায়। মিলেমিশে চলে। রাজ্যব্যাপী সুখ আর সুখ। কুট্টুস রাজার দেশে নেই লেখাপড়ার ব্যবস্থা। নেই স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। প্রযুক্তির সাথে সেই দেশের জনগণের সম্পর্ক নেই বললেই চলে। অন্যদেশের সাথে নেই কুটনৈতিক সম্পর্কও। ফলে প্রতিবেশি দেশগুলো কুট্টুস রাজার সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠে।