"প্রেয়সী থেকে পাষাণীর পরিচয় দিয়ে গেলে। একটিবার বিদায় জানালে না মুন!” মানসুরের মেসেজটি পড়ে মুনের হৃদয় কেঁপে ওঠে। চোখ হালকা বন্ধ করে ফোন উলটো করে রাখে। "কোন অপরাধের শাস্তি দিয়ে গেলে সান? না তাকিয়ে দৃষ্টিগোচর রেখে চলে গেলে?” কষ্টে ধকধক করে ওঠে সানের বুক। হাতের মুঠোয় ফোনটি চেপে ধরে শক্ত হয়ে বসে রয়। "হঠাৎ স্নিগ্ধ বেলায় ঝুম বৃষ্টির মতো আমার জীবনে বর্ষিত হয়ে আবার থেমে গেলে? থামার আগে বললে কী এমন ক্ষতি হতো ঝুমা?” ওড়না হাতের মুঠোয় চেপে রাখে ঝুমা। হালকা উঁকি দিয়ে মুন, সানের দিকে দৃষ্টিপাত ঘটিয়ে সিটে হেলান দেয় মাথা। ক্লেশময় বুক তার হাহাকার করছে। যখন তারা বুঝতে পারে, উভয় একে অপরকে পছন্দ করে। তখন নিজেদের গুটিয়ে নেয়। কেননা মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রেম করার সাধ্য তাদের নেই। তিনি জানতে পারলে তাদের প্রতি জমে থাকা বিশ্বাস, আশা, ভরসা সব ভেঙে যাবে। তারা এটি কখনো চায় না। তাই যাওয়ার সময় কথা বলেনি। মুখ ঘুরিয়ে রেখেছিল। এখানেই যেন সদ্য প্রণয়ের ইতি ঘটে! --- প্রচ্ছদঃ আশিকুর রহমান