ত্রয়ী একা বঙ্গাব্দ ১৩৮১,পহেলা বৈশাখের রাত্রি দ্বিপ্রহর।আলো আঁধারী মাঝ রাত।বিঘ্নিত ঘুমের একরাশ যন্ত্রণা। বিছানায় শয্যাসঙ্গী কেবল জটাজুটে আবদ্ধ কল্পনার জাল।জঠরজ্বালা জুড়াতে যন্ত্রণাকাতর গর্ভবতী এক নারী।এহেন মুমূর্ষু অবস্থায় সৃষ্টিকর্তা সমীপে কায়মনোবাক্যে কেবলই প্রত্যাশা এক কন্যাসন্তানের।অমন প্রত্যাশায় ক্ষণগণনা প্রসূতির জঠরযন্ত্রনাকে ও হার মানায়। নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য মিড ওয়াই ফারি সেবা অপরিহার্য বিষয়।কেননা এই সেবা মাতৃমৃত্যু র হার কমাতে সবিশেষ ভূমিকা রাখে।তয় যুদ্ধবিধ্যস্ত বাংলাদেশে তখন অমন সেবা অকল্পনীয় ছিলো বটে।আজকা উনপঞ্চাশ বছর পার করে এসেও এদেশে পেশাদার মিডওয়াইফ কিবা ধাত্রীর দেখা মেলে বহুতই কম।হাসপাতাল সেতো কেবল জেলা কিবা উপজেলা পর্যায়ে আছে।পেশাদার ধাত্রীর দেখা মেলে মোটের উপর সেসব এলাকায়।তয় উইনিয়ান পর্যায়ে রয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিক কিবা স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র।