"তুলসী তলার কথকতা" বই এর ফ্ল্যাপের লেখা তিনি আমাদের পাশাপাশি হাঁটেন। শিকড়ের টান তাকে কেন্দ্রাভিমুখে ঠেলে দেয় বারবার। উপাদান সংগ্রহ করতে ছুটে চলেন মাটির কাছাকাছি। আঞ্চলিকতাই তাঁর গল্পের সম্পদ । প্রান্তিক মানুষের মুখের ভাষা প্রাণ পায় নলিনী বেরার স্বাদু গদ্যের চলনে। ক্ষয়ে যাওয়া, ঘাত প্রতিঘাত জর্জর মানুষেরা তাঁর গল্পের এক একটি চরিত্র হয়ে উঠে। প্রতিরোধ কিংবা সংগ্ৰাম নয় জীবনের স্বাভাবিক চলমানতাই লেখার মূল উপজীব্য। একদিকে অন্তেবাসী মানুষের দিনানুদৈনিক জীবন পাশাপাশি এক গভীর ইতিহাস চেতনা লেখককে তাড়িত করে প্রতিমুহূর্তে।