ছড়াসাহিত্যের ঐতিহ্য সুপ্রাচীন, ইতিহাস প্রাচুর্যময়। এর বিবর্তনকে সাধারণ প্রেক্ষিতে বর্ণনা করলে দেখা যায় ছড়া লোকজ অবয়বে শ্রুতিতে এবং পাঠকপ্রিয়তায় বেশ ঋদ্ধ ছিলো । সাম্প্রতিক আধুনিকতা অবধি সেই রেশ, সেই ধারা আরো সুস্পষ্ট হয়েছে। অনেক গুণী ছড়াকারের হাত ধরে ক্রমবিবর্তনের পরিশীলিত জন্মান্তরেও ছড়া তার অপার আধিপত্যের যাত্রাকে অধিক প্রাণবন্ত এবং গণসম্পৃক্ত করতে পেরেছে। এটা তার আপন প্রাণশক্তি। এ তার সময়কে অতিক্রমের সহজাত সাহস। আমরা সে পদধ্বনি মুগ্ধ চিত্তে ধারণ করেছি। ছড়া ছোটদের এ ধারণা প্রায় সমর্থিত। সাধারণভাবে এবং সর্বকালে। তবু নাগরিক কালের বোদ্ধা ছড়াপাঠক নিঃসংশয়ে জানেন ছড়া যেমন ছোটদের, তুল্যরূপে তা বড়োদের। ছড়া পাঠকের, ছড়া গণমানুষের। ছড়া সময় যন্ত্রণার এবং যুগ-জাগরণের। ছড়া সাহসের, সুন্দরের। প্রজন্মের চোখে ছড়ার গন্তব্যকে তাই সীমাবদ্ধ করার সুযোগ নেই । ছড়ার সদর্প পথযাত্রায় মাহবুবুল ইসলামের সংযুক্তি নতুন চিহ্নের সন্ধান দেবে, এ দাবি সময়ের।