সন্ধ্যাদীপের মতো যে কিশোরী বেঁচে থাকার আহবান করেন, তার কথা ভাবি। সে হয়তো বরফজমা নদীতে আগুনের ডিঙি ভাসাতে চায়। এই এক আশ্চর্যরকম ভাসা কিংবা ওড়াওড়ি। এই রকম কবিতা উদযাপন করা যায়। আগুনের বুকের ভেতর কবিতার বইয়ে আখতারী ইসলাম দহনের উষ্ণতা জড়ো করতে চেয়েছেন। 'বইয়ের বুকে আঘাত করে লিখে দেই; নিজ নাম!/ আহ্লাদিত পাঠক ছবিতে হাসিমুখ/ আমরা হেঁটে যাই/ কাত হয়ে দেখি/ কতটা বিকিকিনি হলো' এভাবে আকুতি রোপিত হয়। আখতারী ইসলাম বুঝেছেন তাকে পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হবে। উজাড় করে কীভাবে পৌঁছবেন। তার কথায় বুঝতে পারি বিপণন ও বিজ্ঞাপনের সরল হিসেব। আসলে বিজ্ঞাপিত জীবনে কবির কাজ পাঠককেও রচনা করা। পাঠক যেমন চাইবেন আত্ম-উপলব্ধির কবিতা, যন্ত্রণা ভাগাভাগির কবিতা। কবিতায় কবির উপলব্ধি যা পাঠকের সাথে এক মনস্তত্ত্বের সম্পর্কের দিকে যায়। যেখানে নিবিড় ওম রয়ে গেছে। এই বইয়ের কবিতাগুলো পাঠক তা খুঁজে পাবে। মনিরুল মনির