বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ — ড. মাহবুব আলম | বইপোকা
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চিংড়ি চাষ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিবছর বিদেশে চিংড়ি রফতানি করে বাংলাদেশ কোটি কোটি বৈদেশিক টাকা আয় করে। এটা অবশ্যই আমাদের জন্য গৌরবের। বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকাগুলো চিংড়ি চাষের বিশেষ উপযোগী স্থান। চিংড়ি চাষ করতে হলে চাষীকে কিছু মৌলিক জ্ঞান থাকতে হয়। বিশেষ করে পোনা নির্বাচন, পালন এবং পুকুরে বা ঘেরে তার সঠিক পরিচর্য। এ গ্রন্থে কেবল গলদাও বাগদা চিংড়ি আলোচনা করা হয় নি। সেই সাথে বাঘাচামা, বাঘাতারা, ডোরাকাটা, হরিণী, চামনা, মিঠাপানির চিংড়ি প্রভৃতিও আলোচনা করা হয়েছে। বাগদা ও গলদা চিংড়ি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এ দুটি প্রজাতির চিংড়ির শরীর বৃত্তান্ত থেকে শুরু করে প্রজনন, পালন, পরিচর্য সকল বিষয়ই বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। চিংড়ি চাষীর জন্য এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সহায়ক গ্ৰন্থ- একথা আমি জোর দিয়ে বলতে পারি। অনেক দিন থেকেই এ বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ রচনার ইচ্ছে ছিল। সেটি আজ পরিপূর্ণতায় রূপ নিল। গ্রন্থটি মৎস্য চাষে সহায়তা করবে বলে আমি আশাবাদী। ড. মাহবুব আলম