পরাগের ঘরে নববধূর সাজে বসে আছে অচেনা ও অপরিচিতা একটি মেয়ে। থরে থরে সাজানো কৃত্রিম ফুল আর জড়ির ঝিলমিল। ঝিলমিলের এক একটি ঝিলিক যেন এক একটা জ্বলন্ত আগুনের স্ফুলিঙ্গ! পরাগের অন্তরেশটা যেন পুড়িয়ে খাক করিতে থাকে। পরাগ ওর মাকে খুব ভালোবাসে। মাকে কখনও কষ্ট করিতে চায় না। তাই তো বৃদ্ধা মায়ের অসহায় আবেনে বিয়েটা করে নিতে হলো পরাগের।সুসজ্জিত এই ঘর, এই আড়ম্বর ‣ণ কার জন্যে! যেখানে যার থাকবার কথা, আজ সেখানে সেই মানুষটিই নেই! কী হবে এসব করে! এই জীবন কোনো জীবন নয়, এ যেন জ্বলন্ত ইঁটভাটা। এখানে শুধু কাঠ কয়লার মতো জ্বলতে হয়, কখনও নেভে না। পরাগের মনটা এখন ঝামা ইটের মতো রসহীন, চৈত্রের খড়ায় পোড়া নিষ্প্রাণ! পালঙ্কের ওপর আলতো করে আসন নেয়। লাল