বই এর প্রথম ফ্লাপ ভাষা আর সাহিত্যের কর্মীরা দুই শিবিরে বিভক্ত। অনেকে শুধুই গুণগত কষ্টিপাথরে সাহিত্যের সামাজিক বা কাব্যগত প্রশ্ন যাচাই করেন। কয়েকজন আবার প্রসঙ্গনির্দেশ বাদ দিয়ে বাক্য, শব্দ, অক্ষর সাজিয়ে সুশৃঙ্খল বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণেই চরিতার্থতা খোঁজেন। যে পূর্ণাঙ্গ ভাষাতত্ত্ব অবিভক্ত ভাষ্য লিখতে পারবে তার অন্বেষণ সমাজের হৃত স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনার পক্ষে জরুরি। শিক্ষাকর্মীদের প্রহারশীলতার অন্যতম আশ্রয় তুঘলকি ব্যাকরণ; তার সতর্ক সমালোচক ভাষাতত্ত্বকে তাই আমাদেরও লাগবে। এই প্রকল্পে পোস্টমডার্ন ভাবনা বা এস্পেরান্তো কী কাজে লাগতে পারে ? পড়ে দেখুন। কাব্যতত্ত্ব বিষয়ে প্রবাল-শঙ্খ-বিতর্ক এ বইয়ের অন্যতম আকর্ষণ। ভাষাতত্ত্বের আর সাহিত্যের ছাত্ররা অনেক জরুরি রসদ পাবেন এই আকরগ্রন্থে।