ভূমিকা ছড়া মানুষকে স্বাভাবিকভাবেও হাসায়, আবার কাতুকুতু দিয়েও হাসায়। মিথ্যার আড়ালে যে পোশাকি সত্য তা সাধারণের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পারে ছড়া। শিশুরা পড়া-লেখা শুরুর আগেই ছড়া শুনতে ও মুখে মুখে আওড়াতে পছন্দ করে। এ পছন্দ থেকেই তার চেতনাবোধ জাগ্রত হয়। তাই ছড়া শুধু নিছক ছন্দের আনন্দই নয়, শিশুর মানস গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে। অপরদিকে ছড়ার মাধ্যমেই হাসাতে হাসাতে তথাকথিত ভদ্রলোকদের অশুভ কর্মকাÐগুলো সাবলীলভাবে অকাট্য সত্যের মতো সাধারণের সম্মুখে তুলে ধরা সম্ভব। অল্প কথায় ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় ছন্দের বুলেটে মুখোশধারীদের বাহাদুরি ঝাঁজরা করে দিতে সক্ষম ছড়া। তাই ছড়া হোক আনন্দের খোরাক ও প্রতিবাদের বলিষ্ঠ হাতিয়ার। শিশু কিশোরদের মনে ও সমস্ত মহলে ছড়িয়ে দেওয়া হোক সব ধরনের ছড়াছড়ি- এ প্রত্যাশাই রেখে গেলাম আমার ‘একাল-সেকাল’ ছড়ায় বইটিতে। পাঠকদের কাছে কিছুটা হলেও যদি সমাদৃত হয়, তবেই আমার শ্রম সার্থক মনে করবো। শুভেচ্ছান্তে গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাশ