বিবেক বিবর্জিত বিত্তবানদের উল্লাস যেমন সমাজের জন্য কোন কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না, তদ্রƒপ নীতিহীন রাজনীতিবিদদের কর্মকান্ড মানুষের জন্য কোন ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে না। যারা মুখে মুখে নিঃস্বার্থ সমাজ সেবক বলে আত্মপ্রচারে ব্যস্ত থাকেন, তারাই মূলত অগোচরে নিজস্বার্থ নিয়ে বিভোর থাকেন। মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানানো এবং স্বার্থ হাসিল করাই তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। চালাকি ও চালবাজি করে তারা সবসময় খুব ভালো মানুষ সেজে থাকতে চায়। অন্যদের ফাঁকি দিয়ে টাকি মাছ খাওয়াবে, নিজেরা খাবে রুই মাছ- এ হচ্ছে তাদের মনোভাব। তাদের মুখোশ উন্মোচন করে দেওয়ার নিরলস ভাবনা ও অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফসলই আমার ‘মধ্যরাতের সংলাপ’ কাব্যগ্রন্থের প্রতিপাদ্য বিষয়। সমাজমনস্ক মানুষ জীবন ঘনিষ্ঠ চিন্তা-চেতনায় আত্মনিয়োগ করবেন, চালবাজদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সংগঠিতভাবে রুখে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করবে-এ আমার প্রাণের প্রত্যাশা। শুভ কামনাসহ আমার কাব্যকথায় সুহৃদ পাঠকদের প্রতি নিরন্তর ভালোবাসা রইলো। শুভেচ্ছান্তে গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাশ