"গভীর অসুখ" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: অভিজিৎ অধ্যাপক। রিটায়ার্ড বাবা, মা, স্ত্রী, মেয়ে আর ভাইকে নিয়ে গড়িয়ায় একতলা নিজস্ব বাড়িতে অভিজিতের সংসার । মধ্যবিত্তের সুখী গৃহকোণ । তবু অভিজিৎ চেয়েছিল নিজস্ব আলাদা একটা ফ্ল্যাট। ঝাঁ চকচকে। চোখ ধাঁধানাে। ভেতরে ভেতরে ফ্ল্যাট তৈরির ব্যাপারে অনেকটা এগিয়েও গেছে অভিজিৎ। হঠাৎ ধরা পড়ল বাবার অসুখ। প্রথম পরীক্ষায় মনে হয়েছিল টি বি । তারপর জানা গেল ক্যানসার । মুহূর্তে সমস্ত স্বপ্ন ভেঙে চুরমার। মাথার ওপর ভেঙে-পড়া আকাশটাকে দুহাতে আপ্রাণ ঠেলে ধরে, বাবার অসুখের সঙ্গে লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হল অভিজিৎ | শেষ পর্যন্ত অবশ্য জানা গেল অমলকান্তির ক্যানসার হয়নি। কিন্তু ততদিনে। অভিজিতের চারপাশের স্বজনদের ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে অন্যতর অসুখের ক্ষতচিহ্ন। কী সে ? কোন তেজস্ক্রিয় বিকিরণে সারবে সে অসুখ ? সুচিত্রা ভট্টাচার্যের এই অন্তর্লীন উপন্যাসে তারই অন্বেষণ।