কলেজছাত্রী শ্যামলা রূপসী চিকুর ভালবেসে বিয়ে করেছিল উপলকে। উপল ধনী উকিল পরিবারের একমাত্র সন্তান হলেও তার পার্টটাইম অধ্যাপনার চাকুরি। বিয়েতে অখুশি উপলের মা-বাবা। আর চিকুরেরও অদ্ভুত স্বভাব, প্রকৃতির মধ্যে সে যেমন শরীরে মনে জেগে ওঠে, গৃহবন্দী হলেই তেমন আবার সৌন্দর্য হারিয়ে রুক্ষ হয়ে যায়। শ্বশুরবাড়ি অসহ্য বােধ হলে শিশুসন্তান-সহ নিজের বাড়ি ফিরে আসে চিকুর। চাকরি একটা জোগাড় করে, কিন্তু অপমানিত হওয়ায় ছেড়ে দেয়। জীবনে হঠাৎ আসে মল্লার, হারিয়েও যায় পলকে। অবশেষে মিডিয়া লাইনে মনের মতাে কাজ পেয়ে চিকুর প্রবল উৎসাহে ছুটে বেড়ায় কত না ভ্রমণকেন্দ্রে! এদিকে ব্যক্তিগত জীবনে সংকট ঘনিয়ে ওঠে। উপলের সঙ্গে তার বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়। ছেলে কুটুসকে নিজের দখলে নেয় উপল। চিকুর মুখ বুজে সব যন্ত্রণা সহ্ন করে। আবাল্য বৃষ্টির প্রেমিকা আশ্রয় খোঁজে বৃষ্টিরই কাছে। সুচিত্রা ভট্টাচার্যের গতিময় উপন্যাসে নিঃসঙ্গ নারী-জীবনের মর্মবেদনা।