ভালবেসে সবাই সুখি হতে চায়। কেউ সুখি হয়। কেউ হয় না। কেউ পেয়ে হারায়। কেউ হারিয়ে পায়। প্রেমিকরা কখনো অভিজ্ঞ হয় না। আর অভিজ্ঞ লোকরা কখনো প্রেমিক হতে পারে না। তাই ভালোবাসায় মানুষ বারবার ভুল করে। কিন্তু প্রকৃত ভালোবাসায় পরাজয় বলে কোনো কথা নেই। তাদের মিলন না হলেও তারা উভয়ে থেকে যায় উভয়ের হৃদয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনই এক অপরূপা সুন্দরী মেয়েকে দেখে মনে হলো যুগ-যুগান্তরের চেনা। দূর থেকে তাকিয়ে থেকেছে আর মনে মনে কত ছবি এঁকেছে। মেয়েটিও ব্যাপারটি লক্ষ্য করে ওর দিকে তাকাতো। লাজুক চোখের চোখাচুখি। উপন্যাসের নায়িকা নিরুপমা অল্পদিনের মধ্যেই দেবাশীষকে কাছে টেনে নিলো। শুরু হলো একসাথে পথ চলা । এভাবে প্রায় দুই বছর কেটে গেল। এরপর নায়িকার মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। কেন যেন একটু এড়িয়ে চলতে চায় দেবাশীষকে। অবশেষে ওর ভালোবাসাকে অস্বীকার করে। কিন্তু এখানেই শেষ নয় আরও কিছু বাকি রয়ে গেছে। এমনি রোমান্টিসিজম এবং প্যাথুসে ভরা উপন্যাসটি। তরুণ কথাশিল্পী আশীষ কুমার সাহা'র মনের গভীরে তুমি একটি হৃদয় ছোঁয়া প্রেমের উপন্যাস।