আরিফের ঘড়িতে এখন বাজে পাঁচটা দশ। কাঁটায় কাঁটায় চারটা তেতাল্লিশ মিনিটে সে এই বাড়িতে এসেছে। সাতত্রিশ মিনিট ধরে সোফার ঘরে বসে আছে। দোলনের কোনো খোঁজ নেই। কাজের মেয়ে এসে চা দিয়ে গেছে। সেই চা শেষ হয়েছে বিশ মিনিট আগে। বিশ মিনিট ধরে খালি কাপটা কেমন হা করে তার দিকে তাকিয়ে আছে। দু’ একটা পিঁপড়া কাপের আশেপাশে ঘুরছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই কাপের পেটে পিঁপড়া নামবে। আরিফ চায়ের কাপ হাতে নিতে নিতে কাজের মেয়েকে বলেছিলো দোলনকে খবর দিতে। কাজের মেয়ে ‘জে আচ্ছা’ বলে ভেতরে চলে গেছে। তারও কোনো খবর নেই। দোলনকে সে খবরটা বলেছে কিনা কে জানে? নিশ্চয়ই বলেনি। বললে দোলনের এতো দেরিতে করার কথা না। অপেক্ষার চল্লিশ মিনিট হওয়ার আগেই দোলন ঘরে ঢুকলো। আজ সে হালকা সবুজ রঙের একটা শাড়ি পড়েছে। আরিফ মুগ্ধ গলায় বললো, অসাধারণ।